শনিবার, ৬ই কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ : ২১শে অক্টোবর, ২০১৭ ইং

টেকনাফে ৬ হাজার বাবার বরপুত্র লেডি জাহাঙ্গীর পলাতক অপর ৩ আসামী শ্রীঘরে!

কক্সবাজার’র টেকনাফে বিজিবি অভিযানে ৫ হাজার ৯শ ২০পিচ ইয়াবা বড়ি সহ চিহ্নিত ৩ বাবা কারবারী কে আটক করলেও গডফাদার লেডি জাহাঙ্গীর ধরা ছোয়ার বাহিরে বরাবরের মতো। তার সম্রাজ্য চালাচ্ছে সিডিকেটের অপর ৩ সদস্য।পৌর এলাকা সহ সদর ইউনিয়নের বভিন্ন এলাকায় সম্পদের মিছিল ফেলে পালিয়ে আত্ব গোপনে রয়েছে। গতকাল ২৫ ফেব্রুয়ারী পৌর শহরের ইসলামাবাদ (ধূম্প্রাং বিল) বিজিবি’র হাতে ধৃত ৩ বাবা কারবারী সহ অপর জন হাজী ছেবর আহমদের বড় পুত্র লেডি জাহাঙ্গীর কে পলাতক আসামী করে সর্বমোট দু’সহোদর সহ মিলিয়ে ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে বিজিবি।

 

বিজিবি কর্তৃক এজাহার ভূক্ত ৪ জন,পৌর এলাকার অপর ৩ জন মিলিয়ে মোট ৭ জনের এই সিডিকেট টি মিয়ানমারের বাবা ব্যবসায়ীদের টাকা মেরে দিয়ে নিজেরা দামী দামী বাইক হাকিয়ে জ্বালানী পুড়াচ্ছে আর ভূক্তভূগী ওপারের লোকজন গুলো বাচার তাগিদে পথে থালা নিয়ে নেমেছে বলে স্থানীয় ভাবে প্রচার রয়েছে। বাটপারীর টাকায় ব্যাটালিয়ন এলাকার সামনে বাঊন্ডারী দিয়ে ঘিরে রেখেছে কয়েক কোটি টাকার জায়গা। রয়েছে কয়েকটি দোকান ঘর।অতচ কয়েক বছর আগেও মুড়ি খাওয়ার পয়সা ছিলোনা বাবা কারবারী এইসব ছেলেদের।এদিকে লেডি জাহাঙ্গীরের ব্যবসায়ীক অপর ৩ সদস্যদের বাদ দেওয়ায় দুপুরের দিকে ইসলামাবাদ এলাকার পান দোকান,চা স্টলে জনসাধারনের মাঝে গুঞ্জন পরিলক্ষিত করা গেছে।

 

এই সিন্ডিকেট টি বিগত কয়েক বছর যাবত ঢাকা’র ব্যবসায়ী পার্টনার বাবুর সাথে ব্যবসা চালিয়ে আসছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।বছর ৩/১ আগে উক্ত বাবু ইয়াবা সহ আটক হয়ে হাজত বাস শেষে জামিনে এসে আবার যে লাঊ সে কদুতে পরিওনত হয়েছে। নির্ভর‍্যোগ্য সূত্র মতে জানা গেছে, বিগত সময়ে লেডী জাহাঙ্গীর কৌশলে মোটর বাইকে রাতের বেলায় ইয়াবা ঢুকিয়ে দিলে, কায়ুকখালী পাড়া এলাকার এনামুল ও আজাদ নামের দুই যুবকে লম্বরী পর্যটন এলাকায় বিজিবি’র চেকপোষ্টে আটক করে কারাগারে প্রেরন করলেও বরাবরের মতো জাহাঙ্গীর অধরা রয়ে গেছিলো।এমন কি উক্ত গরীব ঘরের দু’যুবক কে আদালতের মাধ্যমে ছাড়িয়ে আনার মতো মানবতা টুকুও দেখায়নি বলে দাবী ভূক্তভূগী পরিবারের।

 

এদিকে বিজিবির অভিযানে ৩ মাদক ব্যবসায়ী আটকের ঘটনায় গ্যাং লিডার লেডি জাহাঙ্গীর কে অইনের আওতায় আনায় বিজিবি’র অধিনায়ক মি. আবুজার এবং উপ-অধিনায়ক মি. আবু রাসেল কে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় মুরব্বীরা।নাম প্রকাশ না করার শর্তে এমন একটি সূত্র, এলাকার নেতাগুছের ক’জন ছাত্র ও পেশা জীবিদের দাবী,অপর ৩ জন সিন্ডিকেট সদস্যদের আইনের আওতায় আনা না গেলে লেডি জাহাঙ্গীরের ইয়াবা সম্রাজ্যে ধস নামানো সম্ভব না বলে মন্তব্য করেছেন।টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মি.মঈন উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,আটক কৃতদের আদালতে প্রেরন করা হয়েছে এবং পলাতক আসামী লেডি জাহাঙ্গীর কে গ্রেফতারের জন্য কাজ চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।

বার্তা কক্ষ মেইল:

news.crimewatchbd24@gmail.com

বার্তা কক্ষ মুঠোফোন:

+৮৮ ০১৯ ২০০ ৯৯২৮৮

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত "ক্রাইম ওয়াচ"

Design & Devaloped BY Popular-IT.Com