বুধবার, ৩রা কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ : ১৮ই অক্টোবর, ২০১৭ ইং

ডোমারে বিধবা ভাতার টাকা ইউনিয়ন পরিষদের দালালের পাকেটে

হরিদাস রায়-ডোমার(নীলফামারী)প্রতিনিধি

নীলফামারীর ডোমারে বিধবা ভাতার টাকা ইউনিয়ন পরিষদের দালাল পাকেট ভর্ত্তি করছে। সম্প্রতি এমন ঘটনা ঘটেছে উপজেলার ৭ নং বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের বিধবা ভাতা প্রাপ্ত দুঃক্ষিনি মহিলাদের সাথে। ভুক্তভোগি মহিলাদের সাথে কথা বললে তারা দুঃখ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন যে, এলাকার জনৈক মনতাজুল তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ২০০ টাকা করে নিয়েছে। কিন্তুু সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পর তারা অনুরোধ করেন,যে বহুদিন ঘুড়ানোর পর অনেক চেস্টা করে কার্ড পেলাম।

 

টাকা দিয়েছি একথা অন্য মানুষ জানলে মনতাজুল আমাদের কার্ড বাতিল করে দিবে। দুঃক্ষিনি মায়েদের সান্তনা দেওয়া হয়, তাদের কার্ড বাতিল হবে না। গত ১৪/০২/২০১৭ ইং তারিখ মঙ্গলবার সোনালী ব্যাংক ডোমার শাখা থেকে বিধবা ভাতার টাকা প্রদান করেন উপজেলা সমাজ সেবা অফিস। ব্যাংক থেকে টাকা পাওয়ার পর পুর্ববোড়াগাড়ী ২ নং ওয়ার্ডের মৃত ফারাজ উদ্দিনের পুত্র মনতাজ ইসলাম ইউনিয়নের বিধবা ভাতা প্রাপ্ত মহিলাদের বাড়ী যাওয়া নিষেধ করে বলেন সবাই একখানে জমা হও।নিরুপায় হয়ে তারা ডোমার বাজারের চান্দিনা পাড়া রাস্তায় জমা হয় এবং মনতাজুলের ধমকে তারা প্রত্যেকে ২০০ টাকা করে দিতে বাধ্য হয়।

 

এ বিষয়ে মনতাজুলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন সবার কাছ থেকে টাকা নেইনি ৭-৮ জনের কাছ থেকে নিয়েছি। আমাকে পরিষদের মেম্বার মান্নান নিতে বলেছে। এ বিষয়ে বোড়াগাড়ী ইউ’পি পরিষদের মেম্বার আঃ মান্নান কে জিঙ্গাসা করলে জানায় যে,টাকা নিতে বলেছি কারন মনতাজুল আমাদের পরিষদে কাগজ- পাতি নিয়ে দৌড়া-দৌড়ি করে। মনতাজুলের কুকির্ত্তি সমন্ধে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মুক্তিযোদ্ধর সন্তান জানান যে,মনতাজুল পরিষদে অনেক দুর্নিতি করেন আমার সামনে মাতৃভাতার কার্ডের জন্য মহিলাদের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছে। তার দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি হওয়া দরকার। মনতাজুলের কুকিত্তি ও দুর্নীতি সমন্ধে একাধিক ইউ’পি সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান যে, সে পরিষদে আসে টাকার ধান্দায়,সে ভালো লোক নয়।

 

এ বিষয়ে বোড়াগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান,মনতাজুল আমাদের পরিষদের কেউ নয়। এ ছাড়া বিধবা ভাতার টাকা দেয় ব্যাংক সেখানে পরিষদের কোন হাত নেই। প্রসঙ্গত, বিধবা ভাতা বাবদ মহিলারা আগে পেত মাসে ৪০০ টাকা এবং গত জুলাই ২০১৬ থেকে প্রতি মাসে ৫০০ টাকা পাচ্ছে।

আর এর মধেই তাদের কাছ থেকে ২০০ টাকা নেয় দালালরা।গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের দুঃক্ষী মানুষের জন্য বিভিন্ন ভাবে কাজ করে জাচ্ছে সেখানে কিছু টাউট বাটপাররা দেশের দুঃক্ষী মানুষের খাবার কেরে খাচ্ছে। তাই এ বিষয়ে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। #

বার্তা কক্ষ মেইল:

news.crimewatchbd24@gmail.com

বার্তা কক্ষ মুঠোফোন:

+৮৮ ০১৯ ২০০ ৯৯২৮৮

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত "ক্রাইম ওয়াচ"

Design & Devaloped BY Popular-IT.Com