রবিবার, ৭ই কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ : ২২শে অক্টোবর, ২০১৭ ইং

টেকনাফে নিয়ন্ত্রনহীন হেচ্ছারখাল ও বড়ইতলী আদম ঘাট!

খাঁন মাহমুদ আইউব(কক্সবাজার)প্রতিনিধি


কক্সবাজার’র টেকনাফে রোহিঙ্গাদের জিম্মি করে নগদ অর্থ আদায় করছে নাইট্যংপাড়া ও কেরুনতলী আদম ঘাটে।নগদ অর্থ না থাকলে ঘাট ভাড়ার নামে স্বর্ণ অলংকার নিয়ে নেওয়া হচ্ছে।দালাল সিন্ডিকেটে নারী সদস্য ও রয়েছে।
আরকান থেকে উদ্ভাস্তু হয়ে প্রাণ ভয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে প্রবেশ করছে।সরকারী উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সীমান্ত খুলে দেয়া হয়েছে।সীমান্তে (বিজিবি) অতিরিক্ত সদস্য মোতায়ন করা হয়েছে।তার পরেও রোহিঙ্গাদের সাথে অমানবিক আচরন করার অভিযোগ আদম পাচারকারী ঘাট দালালদের বিরোদ্ধে।সরেজমিন অনুসন্ধান মতে, উপজেলার পৌরসভার নাইট্যংপাড়া, হেচ্ছারখাল ও সদর ইউনিয়নের কেরুনতলী,বড়ইতলী মিয়ানমার আদম পাচার এবং চোরাচালান ঘাট হিসেবে যুগের বেশী সময় ধরে পরিচিত।প্রশাসন ও স্থানীয় নেতার চামচাদের ম্যানেজ করে এসব অবৈধ ঘাট ঠিকে আছে।নাইট্যংপাড়া আদম পাচারকারী ইসলামের ঘাট দিয়ে প্রতিদিন সন্ধ্যার পর শত শত রোহিঙ্গা প্রবেশ করে।মাথা পিছু ৫ হাজার টাকা করে কথিত ঘাট ভাড়ার নামে চাঁদা আদায় করা হয়।নগদ টাকা না থাকলে বিনিময়ে স্বর্ণের গহনা নিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।উক্ত অবৈধ ঘাটের মূল নিয়ন্ত্রনে রয়েছে চোরাকারবারী ইসলামের স্ত্রী।প্রধান সহযোগী নূর খালেক উরফে (নোমালেক),বার্মাইয়া শুক্কুর ও মদ এজেন্ট ছৈয়দ আলম।একটি নির্ভযোগ্য সূত্র নাইট্যং পাড়া অবৈধ ঘাট থেকে বিজিবি গোয়েন্দারা সপ্তাহিক উৎকোচ নেয়ার কথা ফোনালাপে স্বীকার করেছে।অপর দিকে বড়ইতলী ও কেরুনতলী আদম পাচারের ঘাট দুটি নিয়ন্ত্রন করে জামাল, হাফেজ,শামশু,ছৈয়দ সহ অন্তত ৭জনের একটি চোরাকারবারী চক্র।প্রতি রাতে শত শত রোহিঙ্গা শরনার্থীদের কাছ থেকে ঘাট ভাড়ার নামে স্বর্ণ ও নগদ অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ স্থানীয়দের।যদিও ঘাট ইসমাঈলের নিয়ন্ত্রনে বলে প্রচার রয়েছে।কিন্তু স্থানীয়দের সাথে আলাপে তার সংশ্লিষ্টতা তেমন চোখে পড়েনা বলে জানিয়েছেন।তিন সপ্তাহের ব্যবধানে লক্ষ লক্ষ টাকার মালিক বনে গেছে দালাল চক্রটি।আবার দালাল আজিজের বিরোদ্ধে রয়েছে জিম্মি করে টাকা নেয়ার অভিযোগ।ঘাটের চাঁদা পরিশোধ করতে না পারলে উক্ত পরিবারের কোন এক সদস্যকে আটক রেখে টাকা আদায় করা হয়।আজিজের কাছে সত্যতা যাচাই করতে গেলে সে বাড়ি তথেকে অন্যত্র সটকে যায় এবং ফোন বন্ধ করে ফেলে।তবে এদের একটি সূত্র জানিয়েছে,থানার জৈনক ক্যাশিয়ার কে সপ্তাহিক চুক্তিতে টাকা দিতে হয়।এলাকার সুশীলদের মতে রোহিংঙ্গাদের পণ্যে পরিনত করেছে এসব দালালরা।আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম গুলো কে সরকারের সমালোচনা করার সুযোগ সৃষ্টি করে দিচ্ছে। তাই এই সব অবৈধ ঘাট বন্ধ করেতে স্থানীয় এমপি ও বিজিবি সহ উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ জরুরী।অন্যতার সরকারের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা বেশী।

বার্তা কক্ষ মেইল:

news.crimewatchbd24@gmail.com

বার্তা কক্ষ মুঠোফোন:

+৮৮ ০১৯ ২০০ ৯৯২৮৮

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত "ক্রাইম ওয়াচ"

Design & Devaloped BY Popular-IT.Com