সোমবার, ১০ই বৈশাখ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ : ২৩শে এপ্রিল, ২০১৮ ইং

রথীশ হত্যায় স্ত্রীসহ তিনজনের স্বীকারোক্তি, কামরুল রিমান্ডে


রংপুর স্পেশাল জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) রথীশ চন্দ্র ভৌমিক বাবুসোনাকে হত্যার ঘটনায় তাঁর স্ত্রী স্নিগ্ধা সরকার ভৌমিক ও তাঁর দুই ছাত্র আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

 

 

 

বৃহস্পতিবার রাতে রংপুরের অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম আরিফা ইয়াসমিন মুক্তার আদালতে তাঁরা ১৬৪ ধারায় এই জবানবন্দি দেন।

 

 

 

একই আদালত হত্যা মামলার আরেক আসামি কামরুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। এছাড়া একই মামলায় রথীশ চন্দ্রের স্ত্রী দীপা ভৌমিকসহ দুইজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

 

 

 

রথীশ চন্দ্র ভৌমিক বাবুসোনা তার স্ত্রীর পরকীয়ার জেরে খুন হন।

 

 

 

রংপুরের এএসপি মিজানুর রহমান বলেন, রথীশ চন্দ্র ভৌমিকের খুন পূর্বপরিকল্পিত। তার স্ত্রী স্নিগ্ধা সরকারের সহকর্মীর সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। এর জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

 

 

 

এর আগে স্ত্রী স্নিগ্ধা সরকারের তথ্যের ভিত্তিতে গত মঙ্গলবার মধ্যরাতে শহরের তাজহাট মোল্লাপাড়ায় একটি নির্মাণাধীন বাড়িতে আওয়ামী লীগ নেতা রথীশ চন্দ্র ভৌমিকের লাশ পাওয়া যায়।

 

 

 

র‌্যাবের মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান গত মঙ্গলবার রাত দেড়টায় বলেন, পরিবারের উদ্যোগে মঙ্গলবার দিনভর রংপুর শহরের বাড়ির পাশের ডোবায় তল্লাশি চালানো হয়। সেখানে একটি রক্তমাখা শার্ট পাওয়া যায়।

 

 

 

গত শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে নগরীর বাবুপাড়া এলাকার বাড়ি থেকে বের হয়ে এক ব্যক্তির সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে শহরের দিকে যান রংপুরের বিশেষ জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ও আওয়ামী লীগ নেতা রথীশ চন্দ্র ভৌমিক (বাবু সোনা)। এরপর থেকে তার সন্ধান ছিল না।

 

 

 

 

তবে ওই দিন তার স্বজনরা জানান, সকাল ৬টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে চলে যান রথীশচন্দ্র। কোথায় গিয়েছেন সে বিষয়ে বাড়ির কাউকে কিছু বলেননি তিনি।

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত "ক্রাইম ওয়াচ"